ঢাকা টু চাঁদপুর লঞ্চ ভাড়া ২০২৩

আজকে খুব অল্পের মধ্যে আপনাদের অনেক কিছু দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিয়ে এলাম ঢাকা থেকে চাঁদপুরের লঞ্চ ভাড়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। আপনারা শুধু ঢাকা থেকে চাঁদপুরের লঞ্চ ভাড়া সম্পর্কে জানবেন না আরো জানবেন এ রুটে চলাচলকারী প্রত্যেকটি লঞ্চের খুঁটিনাটি সফল তথ্য। এই তথ্যগুলো পেতে হলে আপনাকে অনেক পরিশ্রম এবং সময় ব্যয় করতে হতো কিন্তু শুধুমাত্র পাঁচটা মিনিট সময় দিলেই আমাদের আর্টিকেল থেকে আপনারা সেই তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারবেন।

আপনারা হয়তো সকলে জানেন যে ঢাকা থেকে চাঁদপুর লঞ্চ রুটে অনেক বড় একটি রাস্তায় এবং এই রাস্তায় প্রতিদিন বেশ কয়েকটি লঞ্চ চলাচল করে। প্রতিটি লঞ্চে হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করে তাই আপনারা হয়তো আইডিয়া করতে পারছেন প্রতিদিন কত যাত্রী ঢাকা থেকে চাঁদপুর এবং চাঁদপুর থেকে ঢাকাতে আসে।

ঢাকা থেকে চাঁদপুর লঞ্চের সময়সূচী

সময়সূচীটা জানা বেশ গুরুত্বপূর্ণ তাই আমরা প্রত্যেকটি আর্টিকেলের মধ্যে সময়সূচি দেওয়ার চেষ্টা করি। ঢাকা থেকে চাঁদপুরে যারা নিয়মিত যাতায়াত করবেন তাদের কাছে সময়সূচি জানাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এখান থেকে আপনারা প্রত্যেকটি লঞ্চ এর নামসহ সময়সূচী জানতে পারবেন।

সোনারতরী নামক লঞ্চ কোম্পানির একটি লঞ্চ ঢাকা থেকে চাঁদপুর রুটে চলাচল করে এবং তারা সকাল ৬:৪৫ এ তাদের যাত্রা শুরু করে।

এমভি সোনার তরীর আরও একটি লঞ্চ রয়েছে যেই লঞ্চে চলে আপনি সকাল ৭ঃ২০ মিনিটে ঢাকা সদরঘাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে চাঁদপুর এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে পারবেন।

চ রয়েছে যে লঞ্চ নিয়মিত ঢাকা থেকে চাঁদপুরে চলাচল করে। সকালের দিকে ৮ঃ৩০ মিনিটে এই কোম্পানির একটি লঞ্চ ছেড়ে যাবে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে।

আরো রয়েছে এমভি মিতালী নামক লঞ্চ যে লঞ্চে চড়ে আপনি সকাল ৯ঃ৫০ মিনিটে যাত্রা শুরু করতে পারবেন চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে।

আপনারা যারা সকাল ১১:৪৫ মিনিটে ঢাকা সদরঘাট থেকে যাত্রা করতে চাইছেন তাদের জন্য রয়েছে এমভি ইমাম হাসান নাম ক কোম্পানির একটি লঞ্চ।

এর পাশাপাশি দুপুরের দিকে এমভি ময়ূর কোম্পানির বেশ কয়েকটি লঞ্চের মধ্যে একটি লঞ্চ ১২:৩০ মিনিটে ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যাবে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে।

চাঁদপুর টু ঢাকা লঞ্চের ভাড়ার তালিকা

তালিকা অনুসারে দিলে ভাড়াটা বুঝতে খুব সুবিধা হয় তবে আপনাদের কিছু বিষয় বোঝানো রয়েছে। কে কোন শ্রেণীর আসনে যেতে চান সেটা অনেকেই জানেন না অথবা বুঝতে পারেন না।

লঞ্চের ডেকের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৫ টাকা। ডেক বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে লঞ্চ এর মেঝেকে।

দ্বিতীয় শ্রেণীর আসন বিন্যাস অনুযায়ী নন এসি চেয়ার কে সাজানো হয়েছে এবং এই নন এসি চেয়ারের টিকিট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে 180 টাকা।

এর পাশাপাশি যারা এসি চেয়ার যেটাকে বলা হয়ে থাকে বিজনেস ক্লাস চেয়ার সেই চেয়ারে যারা যাত্রা করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য ভাড়া নির্ধারিত আছে ৩০০ টাকা।

আপনি যদি সিঙ্গেল কেবিনে যেতে চান কিন্তু নন এসিতে যেতে চান তাহলে সেই ক্ষেত্রে আপনার ভাড়া পড়বে 600 টাকা।

অনেকে রয়েছে সিঙ্গেল টেবিলে যেতে চায় কিন্তু সেটা হতে হবে এসি সে ক্ষেত্রে ভাড়া হবে ১০০০ টাকা।

লঞ্চে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ডাবল কেবিন নন এসির ভাড়া পড়বে ১২০০ টাকা এবং নন এসি মিনি ভি আই পি কেবিনের ভাড়া পড়বে ১৮০০ টাকা।

ফ্যামিলি কেবিনের যাদের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তারা ফ্যামিলি কেবিন নিতে পারেন তবে এর জন্য খরচ হবে ১৫০০ টাকা।

ভিআইপি কেবিল সবসময় ভিআইপি হয় এবং লঞ্চের ভিআইপি কেবিনগুলো একেবারে ফাইভ স্টার হোটেলের মতো আপনারা চাইলে ২২০০ টাকা খরচ করে ভিআইপি কেবিন নিতে পারেন। যারা সিআইপি কেবিন নিবে তাদের জন্য টিকিট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০০ টাকা।

Leave a Comment